মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
ভয়েস নিউজ ডেস্ক:
সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার রায় আজ সোমবার। কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ ইসমাইলের এই রায় ঘোষণা করার কথা রয়েছে। ছেলের হত্যার রায় শুনতে সিনহার মা নাসিমা আক্তার গেছেন কক্সবাজার।
প্রথম আলোকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন মামলার বাদী ও সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। তিনি দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার ভাই সিনহা হত্যা মামলায় রায় শুনতে সকালে মাকে নিয়ে আমরা উত্তরার বাসা থেকে রওনা হই। এখন আমরা কক্সবাজারে।’
উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের বাসা। বাসার প্রবেশপথে সিনহার ছবিযুক্ত একটি ব্যানার টাঙানো। তাতে লেখা আছে, ‘মেজর (অব.) সিনহা হত্যার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
বাসার গৃহকর্মী মোমেনা খাতুন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ম্যাডাম, শারমিন আপারা, সবাই রায় শুনতে কক্সবাজার গেছেন।’
এদিকে কক্সবাজার জেলা দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ফরিদুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, বেলা দুইটার দিকে মামলার রায় ঘোষণা হতে পারে।
২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাত সাড়ে নয়টায় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর তল্লাশিচৌকিতে পুলিশের বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের তৎকালীন কর্মকর্তা পরিদর্শক লিয়াকত আলীর গুলিতে নিহত হন সিনহা মো. রাশেদ খান। তাঁর সঙ্গে থাকা সাহেদুল ইসলামকে (সিফাত) পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এরপর সিনহা যেখানে ছিলেন, সেই নীলিমা রিসোর্টে ঢুকে তাঁর ভিডিও দলের দুই সদস্য শিপ্রা দেবনাথ ও তাহসিন রিফাত নুরকে আটক করে। পরে তাহসিনকে ছেড়ে দিলেও শিপ্রা ও সিফাতকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায় পুলিশ। এই দুজন পরে জামিনে মুক্তি পান।
সিনহা হত্যার ঘটনায় মোট চারটি মামলা হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি মামলা করে। এর মধ্যে দুটি মামলা হয় টেকনাফ থানায়, একটি রামু থানায়। তিনটি মামলার দুটি মাদক রাখার অভিযোগে এবং একটি পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে।
এ ঘটনায় হত্যা মামলাটি করেন সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। ওই বছরের ৫ আগস্ট আদালতে করা ওই মামলায় তিনি টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্তকেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ পুলিশের নয় সদস্যকে আসামি করেন। সুত্র: প্রথম আলো।
ভয়েস/ জেইউ।